ঢাকা, শুক্রবার, ৩ মে ২০২৪, ২০ বৈশাখ ১৪৩১, ২৩ শাওয়াল ১৪৪৫

বরাদ্দের আগেই ‘নির্দিষ্ট প্রতীকে’ ভোট চাওয়ায় প্রার্থী মাসুমকে শোকজ

প্রকাশনার সময়: ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ২২:১৩

আসন্ন নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের আগেই ‘নির্দিষ্ট প্রতীকে’ ভোট চাওয়াসহ নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম মাসুমকে শোকজ করা হয়েছে।

শুক্রবার( ১৯ এপ্রিল) নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই শোকজ নোটিশ ইস্যু করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, আপনি রিয়াজুল ইসলাম ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আপনি গত ১৮ এপ্রিল গোকুলনগর জুনিয়র বন্ধুমহল ক্লাব ও গোকুলনগর যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে আয়োজিত ইসলামি জালসা ও তাফসিরুল কোরআন মাহফিলে আগত মুসল্লিবৃন্দ ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া সহযোগিতা ও ভোট প্রার্থনা করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দের আগেই আপনার ফেসবুক আইডি থেকে দোয়াত কলম মার্কায় ভোট প্রার্থনা করছেন। এছাড়াও আজ দিঘাপতিয়া ইউনিয়ন পশ্চিম হাগুড়িয়া জামে মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিবৃন্দ ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া সহযোগিতা ও ভোট প্রার্থনা করেছেন, যা উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি-৫ (১) লঙ্ঘিত হয়েছে। যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমতাবস্থায় উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা, ২০১৬ এর বিধি-৫ (১) লঙ্ঘনের দায়ে কেন আপনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার ব্যাখ্যা আগামী ২১ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টায় সশরীরে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, চিঠি পেয়েছি। ইসলামি জালসা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনি প্রচারণা করা যাবে না, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৫-৭ জনের বেশি মানুষ সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা করা যাবে না এটা জানতাম।

প্রতীক বরাদ্দের আগেই নির্দিষ্ট প্রতীকের ভোট চাওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট চাওয়ার ব্যাপারটা অসত্য। অনেকে প্রতীক জিজ্ঞেস করলে বলা হয়েছে আমি ফার্স্ট চয়েস দিয়েছি দোয়াত কলম। সেটা হতেও পারে, নাও হতে পারে।

প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বৈধ প্রার্থীরা হলেন— জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, মো. মোস্তারুল ইসলাম আলম, জামিল হোসেন মিলন ও মো. ইসতেয়াক আহম্মেদ হিরা।

তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। পরদিন প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হবে। আর প্রথম ধাপে দেড়শ উপজেলায় ভোট হবে আগামী ৮ মে।

নয়া শতাব্দী/এসএ

নয়া শতাব্দী ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো খবর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আমার এলাকার সংবাদ